Skip to content Skip to footer

Relationship in Islam

★ এক মুসলিম অপর মুসলিম ভাইয়ের সাথে তিন দিনের বেশি সম্পর্ক ছিন্ন রাখা হারাম। বিশেষত, নিকটাত্মীয়দের ক্ষেত্রে এ-কাজ আরো ভয়াবহ অপরাধ।

• সম্পর্ক ছিন্ন বলতে রাগ করে থাকা, শত্রুতা পোষণ করা, বিদ্বেষবশত কথা না বলা, এড়িয়ে যাওয়া–বোঝানো হচ্ছে। আল্লাহর পক্ষ থেকে ৩ দিন অবকাশ দেওয়া হয়েছে, যেহেতু মানুষের মন পরিবর্তনশীল।

• সম্পর্ক রক্ষার সর্বনিম্ন পর্যায় হচ্ছে দেখা হলে সালাম দেওয়া।

[নিকটাত্মীয় হলে নিজ থেকে সাপ্তাহিক/মাসিক ভিত্তিতে খোঁজখবর নিতে হবে, মাঝেমধ্যে সাক্ষাতে যেতে হবে–এগুলো তাদের স্পেশাল হক]

• দুজনের মধ্যে যে আগে অভিবাদন জানাবে, সে উত্তম।

• একজন অভিবাদন জানালো, অপরজন এড়িয়ে গেল; এতে কেবল অপরজনেরই গুনাহ হবে। এড়িয়ে গেলেও প্রতিবার সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা করতে হবে।

• তবে শারঈ ওজর থাকলে যতদিন সে না শুধরায়, ততদিন এড়িয়ে যাওয়া/বয়কট করা জায়েয। শারঈ ওজর হলো:

☞ ধর্মীয়/পার্থিব ক্ষতি থেকে বাঁচা। অপরপক্ষ গোঁয়ার বিদআতি হলে তার সংস্পর্শে গেলে ধর্মীয় ক্ষতির আশঙ্কা আছে। অথবা, তার সংস্পর্শে গেলে জানমালের ক্ষতির আশঙ্কা থাকলে।

☞ যদি মনে হয় অ্যাভয়েড করলে অপরজনের শিক্ষা হবে বা সে বিদাতি/ক্ষতিকর/খারাপ কাজ ত্যাগ করে নিজেকে শুধরে নেবে।

• মতের মিল না হওয়া শারঈ ওজর হিসেবে কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। অথচ মূলত এই কারণেই অধিকাংশ মানুষ অপর ভাইয়ের সাথে শত্রুতায়/বিরোধে লিপ্ত হয়ে থাকে!

•রাসূল ﷺ বলেন, প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার জান্নাতের দরজাগুলি খোলা হয় এবং এ-সময় আল্লাহ প্রত্যেক অ-মুশরিক বান্দাকে ক্ষমা করেন; শুধু তারা ছাড়া, যারা নিজেদের মধ্যে শত্রুতা পোষণ করে। আল্লাহ বলেন: ওদের সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার আগ পর্যন্ত (ক্ষমা) মুলতবি থাকুক।

• “তিন দিন পার হওয়ার পর (অপর ভাইয়ের সাথে) সম্পর্ক ছিন্ন অবস্থায় কেউ মারা গেলে সে জাহান্নামী!”

• তিন দিনের বেশি সম্পর্ক ছিন্ন রেখে মনে মনে ক্ষমা করা যথেষ্ট নয়, তাতে গুনাহ থেকে বাঁচা যাবে না। কথা বলে/যোগাযোগ করে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে হবে।

বিস্তারিত:

১.https://islamqa.info/…/it-is-not-permissible-to-forsake…

২. https://www.islamweb.net/…/not-talking-to-fellow-muslim…

৩. https://www.islamweb.net/emainpage/PrintFatwa.php?lang=E…

Leave a Reply