Skip to content Skip to footer

রাসুলুল্লাহ ﷺ এর জীবন পরিক্রমায় একটি বিষয় লক্ষণীয়:

♦ ইসলামের বাণী প্রচারের প্রাথমিক পর্যায়ে যারা সরাসরি তাঁকে এবং তাঁর উপস্থাপিত দ্বীন ইসলামের কটূক্তি করেছিল, তাদের হেদায়েতের দরজা বন্ধ ছিল এবং প্রত্যেকের কুফর অবস্থায় প্রস্থান ঘটে।

– হযরত উমার (রাযি), আব্বাস (রাযি) সহ অসংখ্য সাহাবি, যারা কিছুকাল পরে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন, তারা ইসলাম-পূর্ব অবস্থাতেও কখনো রাসুলুল্লাহ ﷺ কে তাচ্ছিল্য করেননি।

– আবু সুফিয়ান (রাযি), হিন্দা (রাযি) এবং ওয়াহশী (রাযি) এর ইসলাম-পূর্ব অবস্থায় সংঘটিত ইসলামবিদ্বেষী কর্মগুলো রণাঙ্গনে সংঘটিত, স্বাভাবিক অবস্থায় নয়। তারাও কখনো রাসুলুল্লাহ ﷺ কে নিয়ে হাসি-তামাশা করেছিলেন বলে ইতিহাসে পাওয়া যায় না।

– মক্কা বিজয়ের পর রাসুলুল্লাহ ﷺ এর বিরাট সাধারণ ক্ষমার আওতামুক্ত ছিল কয়েকজন ঠাট্টাকারী। কা’ব বিন আশরাফ কিংবা আবু রাফে’ এর নিকট ‘প্রথমে দাওয়াহ’ এই নীতি গ্রহণ করা হয়নি।

উপর্যুক্ত তিনটি ঘটনা এবং ইসলামে إستخفاف (নিচুজ্ঞান) এর বিধানের কঠোরতা (প্রায় সকল ফকীহের মতে, ইসতিখফাফ সুস্পষ্ট কুফরী) দ্বারা প্রমাণিত হয়-

আল্লাহ তায়ালা কাফির, মুশরিক, মুনাফিক এবং চরম ফাসিক এর জন্যেও হেদায়েতের (সুপথপ্রাপ্তির) রাস্তা প্রশস্ত রাখেন, কিন্তু কটূক্তিকারীর জন্য সকল দরজা বন্ধ রাখেন। আল্লাহ আমাদেরকে এই দুর্ভাগ্য থেকে হেফাযত করুন।

পবিত্র কুরআনে বেশ কয়েকটি আয়াতে উপহাস-তাচ্ছিল্যের ব্যাপারে সতর্কতা এসেছে। কুরআনে ব্যবহৃত শব্দ إستهزاء   تسخیر ۔।

——————

বি. দ্র. তাগুত মিডিয়া, সক্রিয় ইসলামবিদ্বেষী এবং মুনাফিক গোষ্ঠী কখনো শুধুই ব্যক্তি, সংগঠন, কর্মসূচি বা প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিদ্রূপ করে না, এগুলো তাদের নেহাৎ সুযোগ; মূল বিদ্রূপটা ইসলাম এবং মুসলিমেরই করে থাকে। তাই, কেউ যদি মাযলুম হয় বা নিগৃহীত ও অপদস্থ হয় শুধু এজন্য যে ‘সে মুসলিম’ অথবা ‘সে ইসলামী চিহ্নের বাহক’; তখন মাযহাব মাসলাক মানহায সবকিছু ভুলে গিয়ে তার পাশে দাঁড়ানো এবং নৈতিক সমর্থন দেয়া ঈমানের দাবী। কেননা, শত্রুর চোখে আমি বা আপনি একই, তারা চিনে ‘মুসলিম’, তারা বুঝে ‘দাড়ি টুপি’, তারা জানে ‘হিজাব’; তারা গভীর ফিকহী ইখতিলাফ বুঝে না।

সুর যেন না মিলে যালিমদের সাথে..

Leave a Reply