নবীদের কাহিনী-২

নবীদের কাহিনী-২

২৫ জন নবীর নাম আল্লাহ পবিত্র কুরআনে গুরুত্ত্বের সাথে উল্ল্যেখ করেছেন এবং সত্যের পথে তাঁদের দৃঢ়চিত্ত্ব সংগ্রামের হৃদয়গ্রাহী সংগ্রামের বর্ণনা করে মানবতার সামনে সত্য ন্যায় ও সুন্দরের অনুপম মানদণ্ড উপস্থাপন করেছেন। এসব কাহিনী কেবল চিত্ত বিনোদনের খোরাক নয়, বরং এক অবিরাম বিচ্ছুরিত আলোকধারা,  যার প্রতিটি কণায় বিকশিত হয় মানবতার সর্বোচ্চ নমুনা। নবী ও রাসূলগণের জীবনালেখ্য জানা ও তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা আমাদের মুসলমানদের অপরিহার্য কর্তব্য। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি বাংলাদেশে এর বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাস খুবই দুর্লভ। তাই বিষয়টির গুরুত্ত্ব উপলব্ধি করে লেখক প্রফেসর ডঃ মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব এই মুল্যবান ইতিহাসটি লিখেন।

নবীদের কাহিনী-১

নবীদের কাহিনী-১

মানবজাতির কল্যাণে প্রেরিত বিধান সমূহ প্রচার ও প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আল্লাহ্‌ তায়ালা স্বীয় অনুগ্রহে আদম (আঃ) থেকে মুহাম্মাদ (সঃ) পর্যন্ত যুগে যুগে অসংখ্য নবী রাসূল প্রেরণ করেছেন । এর মধ্যে পঁচিশজনের নাম কুরআনে এসেছে  যারা সত্য ,ন্যায় ও তাদের দৃঢ়চিত্ত সংগ্রামের হৃদয়গ্রাহী কাহিনী বর্ণনা করে মানবতার সামনে সত্য, ন্যায় ও সুন্দরের অনুপম মানদন্ড উপস্থাপন করেছেন।এসব কাহিনী কেবল চিত্তবিনোদনের খোরাক নয়, বরং এক অবিরাম বিচ্ছুরিত আলোকধারা, যার প্রতিটি কণায় বিচ্ছুরিত হয় মানবতার সর্বোচ্চ নমুনা। নবী ও রাসূলগণের জীবনলেখ্য জানা ও তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অপরিহার্য কর্তব্য। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য বাংলা ভাষায় এটা নিয়ে সেরকমভাবে কাজ হয়নি। এক্ষেত্রে ড. আসাদুল্লাহ আল গালিব কতৃক তিন খন্ডে রচিত নবীদের কাহিনী অসাধারণ এক কাজ। এই পুস্তকে নবী রাসূলদের কাহিনী বর্ণনার পাশাপাশি বর্তমান বিশ্ব প্রেক্ষাপটে সেসব কাহিনীর শিক্ষনীয় দিকগুলো তুলে আনা হয়েছে যা এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। আমরা আশা করি এর মাধ্যমে পাঠক সমাজ মানবজাতির প্রাচীন ইতিহাসের পাদপীঠে নিজেদেরকে নতুনভাবে মূল্যায়ন করতে সক্ষম হবেন এবং নবীগণের উন্নত জীবনকে উত্তম আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করার প্রেরণা লাভ করবেন।