সবুজ চাঁদে নীল জোছনা

সবুজ চাঁদে নীল জোছনা

সবুজ চাঁদে নীল জোছনা

প্রকাশকের কলাম থেকে:

আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজীব। তরুণ প্রজন্মের বিশ্বাসী কবি, গল্পকার। কলম চালিয়ে যান ক্লান্তিহীন। সত্যের চাষাবাদ করেন কাগজ জমিনে।
ইতোমধ্যই বাংলাভাষী হাজারো পাঠকের কাছে নিজের প্রতিভা উপস্থাপন করতে সক্ষম‍ হয়েছেন স্বভাব যোগ্যতায়। ফররুখ, আল মাহমুদ পরবর্তী বিশ্বাসী সাহিত্যিক মশাল বয়ে নেওয়ার একজন যোগ্য সিপাহসালার আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজীব।

এবারের বইমেলায় এই মেধাবী কবি আপনাদের সামনে নিয়ে এসেছি নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘সবুজ চাঁদে নীল জোছনা’। গার্ডিয়ান পাবলিকেশন কবিতা নিয়ে এই প্রথম গ্রন্থ প্রকাশ। কেন আমরা এই কাব্যগ্রন্থ পাঠক সমীপে তুলে দিলাম? আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজীব এই কাব্যগ্রন্থেরই একটি কবিতায় বলছেন-

‘সমুদ্রের তৃষ্ণা পেয়েছে,
তাকে জলপান করানোর জন্য
একজন কবি ছাড়া কেউ নেই এখানে।’

জোছনাফুল

জোছনাফুল

জোছনাফুল

জোছনা কি কখনো ফুল হতে পারে? ফুলটা দেখতে কেমন? এই ফুলের সুবাসই বা কীভাবে নিতে হয়? ‘জোছনাফুল’ সেই রহস্যের সুলুক সন্ধানে নামবে আপনার সাথে।

বইটা আপনাকে শুধু জোছনারাতের আসরে বসিয়ে রাখবে না; চন্দ্র-সূর্যকেও টেনে নিয়ে আসবে জীবনের পাঠশালায়। আপনি হবেন সেই পাঠশালার অংশীজন। সমুদ্রের পাড়ে কুড়াবে ভাবনার ঝিনুক, ঝিনুক থেকে বের করে আনবে বিশ্বাসের মুক্তো, আপনি সেই মুক্তোয় গাঁথবেন ভালোবাসার মাল্য।

জোছনাফুল’-এর বাগানে ফুটেছে আরও অনেক ফুল, এসেছে আরও অনেক ভ্রমর, গেয়েছে আরও অনেক পাখি। ফুল-পাখিদের এই কোলাহলে জীবনের অর্থ খুঁজে বেড়ায় কিছু চঞ্চল মৌমাছিও। সুন্দরের পরাগে ফুল ফোটানো, অসুন্দরের গায়ে হুল ফোঁটানো সেইসব মৌমাছিদের সাথেও জমবে আপনার নিবিড় আলাপন।

তারাফুল

তারাফুল

তারাফুল

আবদুল্লাহ মাহমুদ নজীব একজন স্বাপ্নিক সবুজ তরুণ। নিজের জীবনবোধ এবং জীবনদর্শন থেকে তিনি আমাদের জন্য কিছু পাঠ তুলে এনেছেন। জীবনের নিত্য পরিসরে, স্রষ্টার সান্নিধ্যে আসতে তিনি যে-উপায়, যে-দর্শন লালন করেন, সেই দর্শন পড়ে আগ্রহী পাঠকমাত্রই ভাববে, চিন্তা করবে―এমনটাই তিনি আশা করেন। তার সেই জীবনদর্শনের সমন্বিত রূপের নাম― ‘তারাফুল’। তারাফুলের মতো করে প্রস্ফুটিত হবে বিশ্বাসী হৃদয়গুলো―এমন প্রত্যাশা আমাদেরও।

নানান রঙের মানুষ

নানান রঙের মানুষ

নানান রঙের মানুষ

বিচিত্র মানুষের বসবাস আমাদের চারপাশে। চলার পথে তারা গল্প করে, গল্প বানায়, গল্প গাঁথে। সেসব গল্পে উঠে আসে জনমানুষের কথা, জীবনের কথা। প্রাণ এবং প্রণোদনার কথা। উৎসাহ এবং উদ্দীপনার কথা। কিছু গল্প ভাবায়, অনুপ্রেরণা দেয়, শক্তি যোগায়। আমাদের আহ্বান করে কল্যাণের দিকে ধাবিত হওয়ার। জীবনকে নতুন করে গড়ে তোলার। সেরকম কিছু গল্প দিয়েই সাজানো ‘নানান রঙের মানুষ’

টাইম মেশিন

টাইম মেশিন

টাইম মেশিন

রাসূলুল্লাহ সা. এবং তাঁর পূর্ববর্তী নবিদের ওপর বিশ্বাস স্থাপন করা এবং তাঁদেরকে অন্তর দিয়ে ভালোবাসা ঈমানের দাবি। নবিদের  ওপর আমাদের বিশ্বাস এবং ভালোবাসা তখনই গভীর হবে যখন আমরা তাঁদের অভিনব জীবন  সম্পর্কে জানতে পারব। একজন অপরিচিত মানুষকে যেমন আপনি ভালোবাসতে পারবেন না, তেমনি নবিদের জীবন সম্পর্কে না জানলেও তাঁদের প্রতি সত্যিকারের ভালোবাসা  তৈরি হবে না। সুতরাং সকল নবিদের ওপর সঠিকভাবে বিশ্বাস স্থাপন করতে হলে এবং তাঁদেরকে অন্তরের অন্তস্তল দিয়ে ভালোবাসতে চাইলে তাঁদের জীবন সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করার কোনো বিকল্প নেই আমাদের।

আর এই লক্ষ্যেই এসেছিল ‘চার বন্ধুর সমুদ্র অভিযান’ বইটি। সেই বইটিতে আমরা মজার সব ঘটনার মধ্য দিয়ে জেনে নিতে পেরেছিলাম নবি সুলাইমান আ., ইঊনুস আ., আইয়ূব আ. এবং নূহ আ.-এর বর্ণাঢ্য জীবন সম্পর্কে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার এসেছে ‘টাইম মেশিন’। অন্তু , জাফর স্যার এবং জাফর স্যারের তৈরি টাইম মেশিনের রোমাঞ্চকর গল্পটি পড়ে যখন আপনি শেষ করবেন, তখন আপনি অনুধাবন করবেন যে, ইবরাহীম আ.-এর জীবন সম্পর্কেও অনেক কিছু জানা হয়ে গেছে আপনার। ইন শা আল্লাহ, আপনি ইবরাহীম আ.-কে  আরও গভীরভাবে ভালোবাসতে শুরু করবেন।

সুবোধ

সুবোধ

সুবোধ

এটি একটি উপন্যাস বলা যায়। এই বইয়ে আছে ‘সুবোধ’ নামের এমন একজন ছেলের গল্প যাকে তার বাবা মহামানব বানাতে চেয়েছিলেন। মানুষের ছেলেপেলে ডাক্তার হয় , ইঞ্জিনিয়ার হয়, ব্যবসায়ী হয়, চোর হয় , ডাকাত হয়; সুবোধের বাবা চেয়েছিলেন তার ছেলে মহামানব হবে। তিনি তার ছেলেকে মহামানব বানাতে, ছেলের ওপর বিভিন্ন গবেষণা চালিয়েছেন। কিন্তু বাবার মৃত্যুর পর ছেলে সত্যিকার মহাপুরুষের সন্ধান লাভ করে। তার কাছে প্রেরিত দ্বীন এর সন্ধান লাভ করে। এবং তখন থেকে সুবোধ হয়ে যায় আব্দুল্লাহ। আর ঠিক সেই মূহুর্ত থেকে সুবোধের গল্প শুরু হয়।