No Image Available

নবি জীবনের গল্প

 Author: আরিফ আজাদ  Category: সীরাত  Publisher: সমকালীন প্রকাশন  Collect Book (Male)
 Description:

বর্তমানে আমাদের সমাজে বংশমর্যাদা গায়ের রং এসব নিয়ে তেমন কোন দন্দাল নেই কিন্তু অতীত সময়ে এ নিয়েছিল অনেক বৈষম্য। যার বংশ মর্যাদায় নেই যার চেহারা সুন্দর নেই অতীতকালে তাকে মানুষ হিসেবে গন্য হতো না। যাদের বংশ মর্যাদা নেই তাদের তারা শিকার হতো প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের লাঞ্ছনা। বৈষম্য ঘিরে রাখতে তাদের। অপমান লাঞ্ছনা বৈষম্য যেন তাদের নিত্যদিনের খোরাক। কিন্তু যাদের বংশ মর্যাদা রয়েছে যারা দেখতে সুন্দর সমাজে তাদের অনেক মূল্য। সবাই তাদের সম্মান করে শ্রদ্ধা ঘরে ভালোবাসে। কিন্তু কেন?কিন্তু কেন এসব দাঙ্গাল? মানুষের বংশ পরম্পরা আর মানুষের সৌন্দর্য দিয়ে তো মানুষের চরিত্র বিবেচনা করা যায় না। তবে কেন সমাজে এসব উঁচু-নিচু সুন্দর অসুন্দর এর প্রভাব।

কিন্তু বর্তমান সময়ে এসব বংশ-পরম্পরা সুন্দর অসুন্দর এর ক্ষেত্রে যে বৈষম্য তা অনেকটাই কমে এসেছে। অতীতকালে চৌদ্দশ বছর আগে এ বৈষম্য ছিল পরিমানে।যারা উচ্চবংশের যারা দেখতে সুন্দর তারাই সমাজের শাসন করতো। কিন্তু যারা কুৎসিত যাদের বংশ-পরম্পরা নেই তাদেরকে সবাই অবহেলা করতো।তেমনি ভাবে হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একজন সাহাবী ছিল জুলাইবিব রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু। তিনি দেখতে ছিলেন যেমন কুৎসিত তেমনি ভাবে তার ছিলনা কোন বংশ পরিক্রমা। সমাজের সকল মানুষ থাকে দেখলে চোখ খুকরিয়ে করে ফেলতেন। বৈষম্য যেন তাকে ঘিরেই রেখেছিল।কিন্তু এত লাঞ্ছনা অপমান বৈষম্যের মাঝেও তিনি একটি মানুষের কাছে গিয়ে খুব আনন্দিত এবং সুখি হতো সেটি হলো হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। কারণ তিনি যে মহান তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ নবী।তার কাছে উঁচু-নিচু, সুন্দর অসুন্দর, সবাই সমান।তিনি ছিলেন সর্বশেষ্ঠ বংশের মানু, তিনি ছিলেন সবচাইতে সুন্দর এত কিছু গুণ থাকার পরেও তার ছিল না বিন্দুমাত্র অহংকার।কারণ যে মহান রব্বুল আলামীন তাকে যে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন রহমত হিসেবে। যার আঙ্গুলের ইশারায় চন্দ্র পর্যন্ত দুই ভাগ হয়ে যায়। কিন্তু হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ গুণ থাকার পরেও তার একটি খারাপ গুণ ছিল না। জুলাইবিব রাযিআল্লাহু তা’আলা আনহু হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর  নিকট গিয়ে সুখ-দুঃখের দু-একখানা কথা বলতে পারতেন যা অন্য কারো সাথে বলতে পারতেন না। হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম ব্যতিত তার কাছে আপনজন বলতে আর কেউ ছিলনা।

তার নাম যুলাইবিব হওয়ার পিছনেও একটি কারণ রয়েছে। জুলাইবিব শব্দের অর্থ খাটো। তিনি দেখতে অতিরিক্ত খাটো ছিলেন। তাই সকলেই তাকে জুলাইবিব বলে ডাকতো।এই কুৎসিত চেহারা, বংশ-পরম্পরা হীন মানুষটিরও  সংসার পাতানোর, একটি ছোট্ট ঘরে থাকতে ইচ্ছে করে। কিন্তু তাকে মেয়ে দিবে কে? কুৎসিত চেহারা, বংশ-পরম্পরা হিন,খাটো দেহ এসব দেখে কি কেউ তাকে  মেয়ে বিয়ে দিবে? এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে আপানাকে বইটি পড়তে হবে।

 Back