তাজওহীদ- যাইনাব আল গাযী

তাজওহীদ- যাইনাব আল গাযী

পৃথিবীর সবচে শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ হলো পবিত্র কুরআনুল কারীম। আর এই গ্রন্থ সহিহ ও শুদ্ধভাবে পড়ার মাধ্যম হলো তাজওইদ সম্পর্কে অবগত থাকা। এটি মূলত ইলমুল কিরাতের সাথে সম্পর্কিত। এই শাস্ত্রের সাথে পরিচয় না থাকলে একজন মানুষের জন্য শুদ্ধভাবে কুরআন তিলাওয়াত করাটা প্রায় অসম্ভব।

বাংলাভাষায় তাজওইদ সম্পর্কে তেমন একটা বইপত্র রচিত হয় নি। যেগুলো হয়েছে সেগুলো আবার খুব বেশি সংক্ষিপ্ত। দুই-একটা আছে খুব বেশি বিস্তারিত। ফলে সংক্ষিপ্ত আর বিস্তারিত- এর গোলকে পড়ে বাংলাভাষী পাঠক যথাযথ উপকার লাভ করতে সক্ষম হয় না। কিন্তু এই বইটিকে সংক্ষিপ্ত আর বিস্তারিত- এর মাঝামাঝি অবস্থানে রেখে রচনা করা হয়েছে। ফলে একজন পাঠকের জন্য তা অন্যান্য তাজওইদ-গ্রন্থের তুলনায় অনেক বেশি ফায়দাজনক ও উপকারী বলে মনে হয়েছে। এখানেই এই বইটির সাথে বাংলাভাষায় রচিত অন্যন্য তাজওইদ-গ্রন্থের পার্থক্য।

তাঁর কালামের মায়ায়

তাঁর কালামের মায়ায়

“…কুরআনে যারা পথ খুঁজে পেয়েছে, কুরআন যাদের দিয়েছে পথের দিশা, দূর করেছে হৃদয়কোণে জমে থাকা অন্ধকার, ‘তাঁর কালামের মায়ায়’ তেমন কিছু মানুষের আবেগ আর নতুন জীবন আস্বাদনের উপাখ্যান। জীবনের চলতি পথে কুরআনকে সাথী করে যারা মিশে যাচ্ছে মহাকালের মহাপবিত্র জীবন-স্রোতে, বইটি তাদের জীবনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অভিজ্ঞতার সম্মিলিত প্রয়াস। আলোর পথে হাঁটতে চাওয়া মানুষগুলো কীভাবে আলোকে চিনতে শিখেছেন, কীভাবে দূর করেছেন হৃদয়ের কালিমা, শত ঝড় আর ঝঞ্চাটে কীভাবে তারা আঁকড়ে ধরে আছেন সেই মহা পবিত্র জীবনকে, ‘তাঁর কালামের মায়ায়’ আমাদের সেসব গল্প শোনাবে।
‘তাঁর কালামের মায়ায়’ নতুন জীবনে অবগাহনের এক অনন্য উপাখ্যান। এই নতুন জীবন আমাদের সকলের জীবনে এসে চিরস্থায়ী হয়ে থাকুক…” — আরিফ আজাদ।

কুরআন বোঝার মজা- আবদুল্লাহ আল মাসউদ

কুরআন বোঝার মজা- আবদুল্লাহ আল মাসউদ

কুরআন আমাদের প্রতি আল্লাহর নাযিলকৃত প্রত্যাদেশ। এতে আমাদের জন্য রয়েছে হিদায়াত ও পথনির্দেশ। কুরআন নাযিলের অন্যতম উদ্দেশ্যই হলো বান্দা এর আয়াতগুলো নিয়ে ভাবনার সমুদ্রে ডুব দিবে। চিন্তার তলদেশ থেকে মনি-মুক্তো কুড়িয়ে আনবে। যারা নিজেদেরকে কুরআন তিলাওয়াতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ করে রাখে, কুরআনের আদেশ-নিষেধ-উপদেশ নিয়ে ভাবে না, আল্লাহ তাআলা তাদেরকে তিরষ্কার করেছেন। কেউ যদি কুরআন নিয়ে চিন্তা-ভাবনা না করে তবে বুঝতে হবে তার অন্তর তালাবদ্ধ হয়ে আছে। তার উচিত অবিলম্বে এই তালা খোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা এবং আল্লাহর এই তিরষ্কারে পতিত হওয়া থেকে নিজেকে রক্ষা করা। কুরআন নিয়ে আমরা কিভাবে ভাববো, এই ভাবনা থেকে আমরা কী ধরনের স্বাদ আস্বাদন করতে পারব সেই বিষয়গুলোই তুলে ধরা হয়েছে ‘কুরআন বোঝার মজা’ বইটিতে। কুরআন কেন্দ্রিক বিভিন্ন ধরনের অনেকগুলো লেখার সমষ্টি এই বইটি, যা পাঠকের সামনে কুরআনের সৌন্দর্য ও শক্তি চমৎকারভাবে তুলে ধরবে ইনশাআল্লাহ।

আমরা কিভাবে কুরআন বুঝব?

আমরা কিভাবে কুরআন বুঝব?

যখন আপনি কুরআন তেলাওয়াত করেন, আপনি কি। আপনার এবং আল্লাহর মাঝে কোন সম্পর্ক অনুভব করেন? আপনি কি আপনার উপর কুরআনের। আয়াতের প্রভাব অনুভব করতে পারেন? বাস্তব জীবনে। কি কুরআনের বিধান প্রয়ােগ করতে পারেন? অথচ কুরআন নাযিল হয়েছে মমগ্র মানব জাতির হিদায়েতের জন্য আর তার বাস্তবায়ন হবে কুরআনুল কারীম বুঝে। পড়ার মাধ্যমে। আজ আমরা কুরআন না বুঝে পড়ার কারনে, সর্বক্ষেত্রে বিশৃঙ্খলায় লিপ্ত হয়েছি, সমাজ শিক, বিদআত, কবর পূজা, মাজার পূজায় ছরাছরি। এমবই কুরআন না বুঝার কারনে প্রকৃতপক্ষে আমরা যখন কুরআন তেলাওয়াত করি আমরা আল্লাহর সাথে। কথা বলি। আল্লাহর আমাদের জানান দুনিয়ার জীবন যাপনের বিধি-বিধান সম্পর্কে, জান্নাত জাহান্নাম সম্পর্কে পূর্বরি নবী রাসূল এবং তাদের সংগ্রামময় জীবন সম্পর্কে কুরআন অধ্যায়নের অন্যতম উদ্দেশ্য কুরআন থেকে উপদেশ গ্রহণ করে মানব জীবনে। বাস্তবায়ন করা। তাই কি করে আমরা কুরআন সঠিকভাবে বুঝব মেমব মূলনিতি ধারাবাহিক ভাবে লেখক তার গ্রন্থে উপস্থাপন করেছেন। ইনশাআল্লাহ। কুরআন বুঝে পড়ার জন্য বইটি সহায়ক হবে।