প্রশ্নোত্তরে আরকানুল ইসলাম-ইসলামিক রিসার্চ এ্যান্ড রিফর্মেশন সেন্টার

প্রশ্নোত্তরে আরকানুল ইসলাম-ইসলামিক রিসার্চ এ্যান্ড রিফর্মেশন সেন্টার

ইসলামের রুকুনসমূহের ব্যাপারে বিস্তারিত জানার জন্য ড. মুযাফফর বিন মুহসিন-এর। সম্পাদনায় প্রকাশিত দলীলভিত্তিক প্রশ্নোত্তরে আরকানুল ইসলাম ফাতাওয়া সংকলনটি প্রত্যেক পরিবারের জন্য সগ্রহ করুন। এতে ১৩৩০টি প্রশ্নের উত্তর রয়েছে।

বৈশিষ্ট্যসমূহ__
● ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভ সম্পর্কে দলিলভিত্তিক সুস্পষ্ট ধারণা প্রদান।
● কোরআন-সুন্নাহ ও সালাফী মানহাজ এর আলোকে প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর প্রদান।
● প্রতিটি প্রশ্নের উত্তরের তথ্যসূত্র ও যথাসম্ভব হাদীসের মূল সংযোজন।
● সুবিন্যাস্ত ও সাবলীল ভাষায় প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর প্রদান।
● যইফ ও জাল হাদিছ, মনগড়া ব্যাখ্যা, তাকলীদী জঞ্জাল ও দলীয় গোঁড়ামি থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত।
● ফেরকাবন্দী, বিশেষ গোষ্ঠী, ব্যক্তি পূজা, প্রাচীন ও আধুনিক জাহেলি মতবাদ প্রত্যাখ্যান এবং দিকভ্রান্ত মানুষকে ছিরাতে মুস্তাকিমের দিকে আহবান।

সম্পাদনা :
* ড. মুযাফফর বিন মুহসিন
* ড. ইমামুদ্দীন বিন আব্দুল বাছীর
* আব্দুল আলীম ইবনে কাওছার মাদানী
* আব্দুর রশীদ
* মুকাররম বিন মুহসিন মাদানী
* মুহাম্মাদ বযলুর রহমান
* আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহীম

বদিউজ্জামান সাইদ নুরসি এবং রিসালায়ে নূর

বদিউজ্জামান সাইদ নুরসি এবং রিসালায়ে নূর

বিংশ শতাব্দীর শুরুর কথা। দিকে দিকে কামালবাদের জয়ধ্বনি। সব আশা শেষ! বিশ্বাসীরা হাল ছেড়ে দিলো, পরাজয় মেনে নিলো বুঝি। লাঞ্চনা, অপমান, অপদস্তের এক জীবন তাদের। ধীরে ধীরে ইসলামকে জীবন থেকে মুছে ফেলা হচ্ছে। মুসলমানিত্ব মানেই যেন পরীক্ষা। ঘুমিয়ে যাচ্ছে উম্মাহ। হাল ছেড়ে দিচ্ছে সবাই।

কিন্তু নাহ! তিনি জেগে উঠলেন, দায়িত্ব নিলেন সবাইকে জাগানোর। শেষ থেকেই যেন শুরু। ধ্বংসস্তূপ থেকেই ফিনিক্স পাখির ঠোঁট বের হলো।

আমরা বলছি বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংস্কারক বদিউজ্জামান সাঈদ নুরসির কথা। জাহেলিয়াতের ভরা যৌবনেও যিনি সত্যের মশাল বইয়ে নিয়েছেন বিচক্ষণতার সাথে। জোয়ার দেখেও যিনি এতটুকু হীনমন্যতায় ভোগেননি; ভবিষ্যত প্রজন্মের মুক্তির রাজপথ নির্মাণ করেছেন দক্ষ শ্রমিক হয়ে।

বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সিপাহসালার, যুগ সংস্কারক, বিখ্যাত রিসালায়ে নুর-এর লেখক বদিউজ্জামান সাঈদ নুরসির সংগ্রামী জীবনী পড়তে আপনাকে স্বাগতম।

অনেক আঁধার পেরিয়ে

অনেক আঁধার পেরিয়ে

স্বপ্ন ঠিক করে দেয় ওরা…
বড়সড় একটা ফ্ল্যাট, সিক্স ডিজিট স্যালারির জব, সুন্দরী বউ, গ্যারাজে লেইটেস্ট মডেলের গাড়ি, বছরে দুবার ট্যুর অথবা সাদা চামড়ার দেশের গ্রিন কার্ড… ব্যস তুমি সফল।

সততা? আদর্শ? মূল্যবোধ?

ধুর, ভুলে যাও ওসব! ছলচাতুরির চাদর গায়ে জড়িয়ে নাও নির্দ্বিধায়, দুরভিসন্ধির খেলা খেলে যাও শর্তহীনভাবে। সফল হতেই হবে নাহলে তুমি পিষ্ট হয়ে যাবে জন-অরণ্যের-সামাজিকতার-চাপে। তোমার জীবন হবে ষোলো আনাই বৃথা।

আমরা ভুল করি। স্বপ্ন-সুখ ছোঁয়ার মাতাল নেশায় মত্ত হয়ে আর সবকিছুকে দূরে সরিয়ে গৃহপালিত জীবনযাপন করে পার করে দিই মাটির পৃথিবীর এই এক জীবন। সুখ পাই না। যারা লক্ষ্যে পৌঁছে তারাও অবাক হয়ে দেখে সেখানেও সুখ নেই। সুখ তা হলে কোথায়?

কিছু কিছু মানুষ থাকেন ব্যতিক্রম। সুখ, সফলতা, স্বপ্নের আলেয়াকে ঠিকই তারা চিনতে পারেন। স্বপ্ন-বেচা চোরাকারবারিদের মধুর কথাও ভোলাতে পারে না তাদের। ঠিকই তারা চিনে নেন চিরসুখের, চিরশান্তির, চিরসফলতার সেই পথ। সুখ সন্ধানীদের ভালোবেসে চিনিয়ে দেন…
পথিক, সুখ এই পথে, এ পথেই আছে…

কী সেই পথ ? সেই পথের দিশা নিয়েই ‘অনেক আঁধার পেরিয়ে’

পড়ো- ওমর আল জাবির

পড়ো- ওমর আল জাবির

পড়ো বইটিতে অনেক শিক্ষণীয় ব্যাপার আছে যা আমাদের জীবন রাঙানোর জন্য হলেও সুপাঠ্য ও বন্ধু মহলে উপহার দেওয়ার মত সবথেকে বেশি প্রাসঙ্গিক বই হবে বলে মনে হয়। আমার খুব প্রিয় একজন লেখক ওমর আল জাবের, সুযোগ হলে উনার এই অনবদ্য বইটি পড়বেন। এই বই থেকে যেমন কিশোর পাঠকরা পাবে রোমাঞ্চকর অনুভূতি তেমনি অন্য পাঠকরা পাবেন কঠিন বাস্তবতার সন্ধান। লেখক ওমর আল জাবের এর দূরদর্শিতা লেখার ঘটনা পাঠক মনে ব্যাপকভাবে নাড়া দিয়েছে এবং তাঁর নিখুঁত উপস্থাপন শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পাঠককে একটা টেনশনের মধ্যে রাখতে পেরেছে ও পড়ো বইটিকে বাস্তব করে তুলেছে।